" /> দোসর – সুন্দরবন সাহিত্য সংসদ
Home / ছোট গল্প / দোসর

দোসর

হেমন্তের শেষ বিকেলে সদ্য গায়ে-গতরে জোয়ান হওয়া হাইব্রিড শাল গাছের করুণায় একটু মিঠেল নরম রোদ্দুর তার শীর্ণ দেহে কোমল সান্ত্বনার মতো এসে পড়ল । তখন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বুড়ো বকুলগাছটা ভাবতে লাগল , এত দিন সে আশপাশের ছোট ছোট গাছগুলোকে ঝড়-ঝাপটার হাত থেকে বাঁচিয়েছে ৷ কিন্তু আজ একটু রোদের জন্য তাকেও দুদিনের ঐ ছোকরা গাছটার কাছে করুণা ভিক্ষা করতে হচ্ছে ৷ তবে কি তারও ফুরিয়ে যাওয়ার সময় চলে এল ! শরীরে আগের মতো তেমন আর বল নেই । ভেতরের শেকড়গুলোও যেন ক্রমশ হারিয়ে ফেলছে মাটির গভীর থেকে প্রাণরস টানার ক্ষমতা ৷ দেহের ভেতর অসংখ্য উইপোকার দল ক্রমশ কুরে কুরে খেয়ে নিচ্ছে তার মেরুদণ্ড, তার হৃদয় ৷ অথচ এদেরকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তার আর নেই । বয়স বেড়ে গেলে বোধহয় এমনই হয় ৷ ডালপালা আর ছাল-বাকলগুলো যে যখন ইচ্ছে মতন কেটে-খুবলে নিয়ে চলে যাচ্ছে । বয়স বাড়লে শত্রুরাও আরও শক্তিশালী হয় বোধহয় । কিন্তু অসহায় দৃষ্টিতে সবকিছু মেনে নেওয়া ছাড়া আজ আর তার কিছুই করার নেই  । কিন্তু যখন তার যৌবন ছিল , তখন শরীরে ছিল অসুরের বল । প্রচণ্ড কালবৈশাখীর দাপটে দেহ মাটিতে লুটিয়ে গেলেও একটা ডালও ভেঙে পড়ে নি কোন দিন  ৷ শিকড়েররা মাটির বুকে ইস্পাতের জাল বুনে সুবিশাল দেহটাকে মাটির সাথে শক্ত করে আটকে রাখতো ৷ আর প্রকাণ্ড কাণ্ডটা মজবুত শিরদাঁড়ার মতো জাপটে ধরে রাখতো তার শাখা-প্রশাখাগুলোকে ৷ সে ছিল এক অন্তহীন সুখের সময় । অগণিত শাখাপ্রশাখা জুড়ে ঘন সবুজের পাতায় সে সাজিয়ে তুলতো নিজেকে ৷ কত চেনা-অচেনা পাখির দল রোজ খেলতে আসতো তার ডালে ! কত কীট-পতঙ্গের দল মিছিল করে আসতো তার সবুজ নরম কচি পাতা খাওয়ার লোভে ! কত পাখিরা তাকে ভালোবেসে তারই ডালে বাসা বাঁধত , তার মিষ্টি ফলে পেট ভরিয়ে তারই কোলে প্রাণের খেলায় মেতে উঠত ! পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে সর্বদায় মুখর থাকত তার বৃক্ষশরীর ৷ মৃদুমন্দ বাতাসে পাতার মর্মরধ্বনি প্রার্থনা সংগীতের মতো তার আত্মাকে সর্বদা জাগিয়ে রাখতো । গ্রীষ্মের দুপুরে প্রচণ্ড দাবদাহে গোটা পৃথিবী যখন নেশাগ্রস্তের মতো ঝিমিয়ে পড়তো তখন সে পৃথিবীর গভীর তলেদেশ থেকে তুলে নিয়ে আসতো শান্তির অমৃতবারি ৷ তাকেই ছড়িয়ে দিত গোটা শরীর জুড়ে ৷ তাই সবুজ পাতায় ছাওয়া ডালের নীচে পাখিরা পেত স্বস্তির আশ্রয় । গোঠের রাখাল বা মেঠো চাষীরাও তার তলায় এসে বসতো একটু শীতল স্বস্তির জন্য । এখন মনে হয় , সে সব যেন কত যুগ আগেকার কথা ! নিজের বয়সটা যে কত হল , আজ আর তার মনে নেই ৷ তবে সবার কাছে তার প্রয়োজন যে ফুরিয়ে এসেছে ,তা আজকাল বেশ স্পষ্ট বুঝতে পারে সে ৷ উচ্চতাটা আগের মতো থাকলেও গেল বছরের কালবৈশাখীতে বেশিরভাগ ডালপালা হারিয়ে সে এখন প্রায় ন্যাড়া হয়ে গেছে ৷ পাখিরাও আজ আর তেমন কেউ কাছে আসে না । তাকে ছেড়ে ফিঙে-দোয়েল-টিয়ারা পাশের তেঁতুল , নিম আর আমগাছে নতুন বাসা বেঁধে ছানাপোনাদের নিয়ে চলে গেছে ৷ আগের মতো ছায়া দিতে না পারায় তার তলায় মাঠের ক্লান্ত কৃষকদের আনাগোনাও বন্ধ হয়েছে । আজকাল দিনগুলো বড় একা একা লাগে ৷ তবে এ কষ্ট যে তার একার নয় তা সে মণ্ডলবাড়ির বাদল মাস্টারকে দেখে বেশ বুঝতে পারে । 
 
যার জমিতে , যার হাতের যত্নে সে বেড়ে উঠেছিল , তারই নাতির নাতি বাদল এখন সামনের মাটির পাঁচিল দেওয়া পুরোনো বাড়িটার একটা ঘরে অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে । আশপাশের ছেলে-ছোকরাদের থেকে তার উচ্চতা এখনও অনেক বেশি বলে আধখোলা জানলার ফাঁক দিয়ে অসুস্থ বৃদ্ধের উদাসীন ফ্যাকাসে মুখটা সে রোজ দেখতে পায় । অনেকটা যেন তারই মতো । বাদল তার চেয়ে বয়সে অনেক অনেক ছোট ৷ তবু কেন এত মিল ! নাকি শরীরে বার্ধক্য এলে সবাইকে একই রকম দেখতে লাগে ! দাদুর হাত ধরে বালক বাদল যখন বকুল ফল কুড়োতে তার তলায় আসতো , তখন থেকেই সে বাদলকে চেনে । বাদল বড় হল , পড়াশুনা শিখে গাঁয়ের ইস্কুলের মাস্টার হল , পাশের গাঁয়ে তার বিয়ে হল , একটা ফুটফুটে শিশু এল ঘরে -অমৃতপ্রাপ্তির আনন্দে সংসারে উপচে উঠল সুখ , -এ সব তো তার নিজের চোখে দেখা ৷ বাদলের ছেলেটা খুব মেধাবী , গ্রামের ইস্কুলে পড়া শেষ করে কোলকাতায় পড়তে গেল । সেখানে কত বড় বড় বই পড়ে কত কিছু পাশ করে এখন নাকি সে আমেরিকায় থাকে ৷ তারই নীচে বিশ্রাম নেওয়ার সময় গাঁয়ের লোকেদের সেসব কথা গর্ব ভ’রে বলতে শুনেছে সে । কিন্তু হঠাৎ করে বাদলের বউ সাতদিনের জ্বরে  মারা গেল । বাদল শহরে গিয়ে অনেক ডাক্তার বদ্দি দেখালেও যম তাকে শেষ পর্যন্ত ছাড়ল না । বাদলকে একা করেই ছাড়ল ৷ মায়ের মৃত্যুর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ছেলে বাবাকে কিছু না জানিয়েই এক উচ্চশিক্ষিতা শহুরে সম্ভ্রান্ত পরিবারের কন্যাকে বিয়ে করে বাবার আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য বিনা নোটিশে সাত দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি এল । জীবনের এত বড় সিদ্ধান্তের কথা ছেলে তাকে জানানোর বিন্দুমাত্র সৌজন্যটুকুও দেখাল না ৷ এতে বাদল অন্তরে কষ্ট পেলেও বাইরে তার কোন বহিঃপ্রকাশ হল না । ছেলের বৌভাতের আয়োজন করে নিজের সামর্থ্যমতো আত্মীয়স্বজন ও পাড়ার লোকেদের ডেকে খাওয়ালো ৷ ছুটি ফুরিয়ে যাওয়ার একদিন আগেই ছেলে বউকে নিয়ে বাবাকে ছেড়ে আবার বিদেশে রওনা দিল ৷ যাওয়ার আগে অবশ্য বাবাকে জানালো , আগামী ছ’মাস পরেই গাঁয়ে ফিরে এসে সে বাবাকে নিয়ে সোজা আমেরিকা উড়ে যাবে । আর ভিসা-পাশপোর্ট বানাতে কিছু সময় লাগবে বলেই এখন সে বাবাকে নিয়ে যেতে পারছে না ৷ বাবার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সেসব তৈরির  দায়িত্বও ছেলে নিজের কাঁধে তুলে নিল। বিদেশে থাকার বিষয়ে বাদল প্রথমে মৃদু আপত্তি তুললেও ছেলে যে তাকে একা ফেলে রাখতে চায় না ,এটা ভেবে মনে মনে সে খুব খুশী হয়েছিল । 
 
কিন্তু মুখ আর মুখোশের ব্যবধান বোঝার ক্ষমতা গাঁয়ের এই সরল সাদাসিধে মাস্টারমশাইয়ের ছিল না । বিদেশ যাওয়ার ছ’মাস পরেও ছেলে যখন আর একবারও ফোন করে বুড়ো বাপের খবর নিল না , তখন সে বুঝতে পারলো- সে কত বোকা ! এবং লোভীও ! কিন্তু এ লোভ কি পাপ ? ছেলে-বউমার সাথে বেলাশেষের দিনগুলো কাটানোর ইচ্ছেটা কি খুবই অন্যায় আবদার ? নিজের মনে বাড়তে থাকা প্রশ্নের বেয়াড়া আগাছাগুলোকে কিছুতেই উপড়ে ফেলতে পারে না বাদল ৷ জীবনের শেষবেলায় সন্তান-নাতিপুতিদের নিয়ে ভালো থাকার স্বপ্ন তো সব মানুষই দেখে ৷ বাদলও দেখত ৷ কিন্তু ছেলে যে যশ আর খ্যাতির টানে সব পিছুটানকে ছিঁড়ে ফেলে বিদেশে বসত গড়বে এবং সে সংসারে বুড়ো বাবাকে বড় বেমানান লাগবে বলে এভাবে এড়িয়ে যাবে , তা বাদল স্বপ্নেও ভাবে নি । তারও মাসখানেক পর ছেলে অবশ্য নিজে থেকেই ফোন করে তার প্রতিশ্রুতি পালনের ব্যর্থতার কথা নিজেই তুলে শুধুমাত্র ভিসা ও পাসপোর্টের সমস্যার কারণেই পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে পিতৃভক্ত সন্তান যে পিতার সেবাকর্মের পূণ্যার্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ,তার বিশদ ব্যাখ্যা দিলেও বাদলের সে দিকে কান ছিল না । সে তখন তারা-নেভা শীতার্ত রাতের হঠাৎ হানায় ঠক্ ঠক্ করে কাঁপছিল ৷ তবে তার মধ্যেই ছেলেকে সে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল , তার জন্য ছেলে যেন বিচলিত না হয় । বিদেশের অচেনা পরিবেশের থেকে এই গ্রামেই সে ভীষণ শান্তিতে থাকবে । আর প্রতি মাসে ছেলে যে বাবাকে পাঁচ হাজার করে টাকা পাঠাতো তা নিষেধ করে বাদল জানিয়ে দিয়েছিল যে তার নিজের খরচ চালানোর জন্য তার পেনশনের টাকাই উদ্বৃত্ত থেকে যায়। তাই বৃথা অর্থের অপব্যয় বাঞ্ছনীয় নয় ৷
 
 এই সময় বাদলের দিনযাপনের মুহূর্তগুলি কতটা বেদনাদায়ক ছিল তা দূর থেকে স্পষ্ট অনুভব করতে পারতো বকুলগাছটি ৷ দিন বা রাতের বেশিরভাগ সময়টায় বারান্দার চেয়ারে ব’সে বা ঘরের ছোট খাটটির মাথায় বালিশে হেলান দিয়ে সে বকুল গাছের দিকেই উদাস হয়ে তাকিয়ে থাকতো I গাছটিও বেলাশেষের নিঃসঙ্গতা আর অবসাদ নিয়ে শুধু বাদলের মুখের দিকেই তাকিয়ে থাকতো ৷ মানুষ যখন কথা হারিয়ে ফেলে সেও তখন বোধহয় গাছ হয়ে যায় । আর তাই অসুস্থ বৃদ্ধের বিষাদমাখা গোপন কথামালাগুলি কী এক আশ্চর্য ক্ষমতাবলে সব পড়ে নিয়েছিল এই বকুল গাছটি ৷ তার মনে হতো তারা যেন দুজনেই বেলাশেষের ব্যথাযাপনের দোসর । জীবনের শেষ গন্তব্যের সহযাত্রী । বড় আপনজন ৷ বাদলের মতো বকুলগাছের আত্মজনেরাও সবাই আজ তাকে ছেড়ে চলে গেছে । বাদলের মতোই তারও শরীরের নানান অসুখের মতো উইপোকারা বাসা বেঁধেছে । আজ দুজনেই এক নীরব অসহায়তার সাগরতীরে বসে চিরকালের মতো নিভে যাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ৷
 
হঠাৎ সে দিন সকাল বেলায় মণ্ডলবাড়ির উঠোনে হঠাৎ শোরগোলের শব্দ শুনতে পেয়ে গভীর উদ্বেগে উতলা হয়ে বকুলগাছটি ওপর থেকে চোখ চারিয়ে দেখল , বাদলের উঠোন জুড়ে পাড়ার লোকজনের হৈ চৈ ৷ গাছটি আজকাল কানে কম শোনে । ভালো করে কান পেতে যা শুনতে পেল তাতে বকুলগাছের আত্মা এক অদ্ভুত বেদনায় মুচড়ে উঠল ৷ বাদল কাল রাতে মারা গেছে ! কিন্তু রাত দুপহর পর্যন্ত সে তো বারান্দাতেই বসেছিল ! তবে কি ভোরবেলায় ঘুমের মধ্যেই … ! সে আর ভাবতে পারল না ৷ গোটা হৃদয় জুড়ে এক অব্যক্ত বেদনার অশ্রুবিন্দুগুলি তার সদ্য হলুদ পাতা থেকে শিশিরের ফোঁটা হয়ে বিরস মাটির বুকে ঝ’রে পড়তে লাগল ৷ সে শুনতে পেল , পাড়ার লোকে বলাবলি করছে , ছেলেকে খবর পাঠানো হলেও সে নাকি দুদিন পরে আসতে পারবে বলে জানিয়েছে । ছেলের হাতের আগুন ! সে কি যে সে কথা ! তার জন্য মৃত পিতাকে পঞ্চভূতে বিলীন হওয়ার আগে সরকারী হাসপাতালের মর্গে আরও দুদিন অপেক্ষা করতে হল । অবশেষে ছেলে এল । বিকেল বেলায় হরিধ্বনির সাথে খোল-খঞ্জনি সরব হয়ে মণ্ডলবাড়ির উঠোনে অখণ্ড নীরবতার রাজত্বকে নষ্ট করে দিতে চাইল । তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তারই তলা দিয়ে শবদেহ নিয়ে পাড়ার লোকেরা শ্মশানের দিকে গেল ৷ শেষবারের মতো বকুলগাছটি বাদলের মুখের দিকে চাইল । না , আজ আর তার মুখে কোন অবসাদ নেই ! কী অনন্ত প্রশান্তি নিয়ে চন্দন আঁকা মুখে বাদল যেন ঘুমিয়ে পড়েছে ! বকুলগাছটা ডুকরে কেঁদে উঠল । বন্ধুবিয়োগের বেদনা এই প্রথম অনুভব করলো সে ৷ বেশ কিছুক্ষণ পরে  আকাশের  ঈশান কোণে হঠাৎ অালের ঝলকানিতে সম্বিৎ ফিরে পেয়ে ভয়ার্ত দৃষ্টি নিয়ে বকুলগাছ তাকিয়ে দেখে , একটা ঘন কালো খ্যাপা মেঘ ক্রমশ তার জটাজাল নাচাতে নাচাতে রুদ্ররূপী নটরাজের মতো এদিকেই ধেয়ে অাসছে ৷ বকুলগাছ বুঝতে পারে , এখনই একটা মস্ত বড় ঝড় উঠবে ৷ কিন্তু তারপর… ! দূর থেকে একটা চাপা ত্রুর ধ্বনি শুনতে পেল সে ! বার্ধক্যের চেনা ভয়টা হঠাৎ বুকের ওপর চেপে বসল ! দুরু দুরু বুকে শেষবারের মতো সে আকাশের দিকে তাকালো । একটা পাখিও চোখে পড়ল না ৷ শুধু দেখতে পেল শ্মশান থেকে কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়াটা ক্রমশ উপরে উঠছে । আর তার মধ্যে যে লোকটা হাসতে হাসতে উপরে উঠে যাচ্ছে সে তো তারই বন্ধু বাদল ৷ বকুলের ইচ্ছে করল ,তার হাত দুটো ধরে তারই সঙ্গে চলে যেতে কিন্তু পারল না । হঠাৎ সুতীব্র গতিতে একরাশ ধুলোর ঝাপটা তার চোখে আঁধার এনে দিল ৷ তার সামান্য পরেই একটা প্রচণ্ড শব্দে ভয়ানক ভয় পেয়ে বলাই ঘোষের ছোট নাতি তার মাকে জাপটে ধরলে মা তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল , “কিচ্ছু হয় নি রে , বুড়ো বকুলগাছটা বোধহয় একেবারেই ভেঙে গেল ! বুড়ো কিছুতেই ঘুণধরা গাছটা এত দিন কাটতে দেয় নি ; বুড়োও গেছে , বুড়ো গাছটাও গেল ৷ কখন বলতে কখন যে কার ঘাড়ে এসে পড়ত ! যাক বাবা ,আপদ বিদেয় হয়েছে ৷ বাঁচা গেল !!”

লেখক পরিচিতি

বিমান পাত্র 

জন্ম ১৫ই ডিসেম্বর , ১৯৭৬ খ্রীঃ, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার ভবানীপুর গ্রামে । বাবা কৃষ্ণপদ পাত্র ও মা অনিতা পাত্র ৷ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর । বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বাগপোতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহশিক্ষক ৷
      স্কুলজীবনে বিদ্যালয় পত্রিকায় কবিতা ও গল্প রচনায় হাতেখড়ি I কর্মজীবনের ব্যস্ততায় সাহিত্যসৃজন থেকে দূরে থাকতে হয়েছিল অনেক দিন ৷ বর্তমানে প্রাণের টানে আবার কলম ধরা ৷ ফেসবুকের বিভিন্ন সাহিত্য গোষ্ঠীতে নিয়মিত কবিতা ও গল্প লেখেন । ২০১৮-কোলকাতা বইমেলায় আনন্দ প্রকাশন থেকে প্রথম যৌথ কাব্যসঙ্কলন ” আনন্দধারা কাব্যসঙ্কলন ২” প্রকাশিত হয়েছে ৷ বর্তমান সমাজজীবনে প্রতিনিয়ত মানবতা ও মূল্যবোধের স্খলন-পতন দ্বারা প্রভাবিত ও  আন্দোলিত গল্পকারের লেখনী । প্রকৃতি ও মানুষ , -সম্পর্কের বিচিত্র রামধনু চিত্রিত তাঁর সাহিত্যে ।

About Amir Khan

Check Also

আমাদের হলদে বাড়ি

রাজিত ফারহান  আমাদের বাসাটা রঙ করা হয়না প্রায় ২০ বছর যাবত। বাসাটা যদিও বেশী বড় ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »

xu hướng thời trangPhunuso.vnshop giày nữgiày lười nữgiày thể thao nữthời trang f5Responsive WordPress Themenha cap 4 nong thongiay cao gotgiay nu 2015mau biet thu deptoc dephouse beautifulgiay the thao nugiay luoi nutạp chí phụ nữhardware resourcesshop giày lườithời trang nam hàn quốcgiày hàn quốcgiày nam 2015shop giày onlineáo sơ mi hàn quốcshop thời trang nam nữdiễn đàn người tiêu dùngdiễn đàn thời tranggiày thể thao nữ hcmphụ kiện thời trang giá rẻ

Skip to toolbar